আলমগীর মানিক | ০৩:৫৭ পিএম, ২০২৫-০৯-১৭
আলমগীর মানিক
টেন্ডারবাজি, ঘুষ গ্রহণ, বিল আটকে চাঁদাবাজিসহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে (রাপাজেপ) অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে দুদকের রাঙামাটি কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান শেষে মো. জাহিদ কালাম সাংবাদিকদের জানান, “জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজি, ঘুষ গ্রহণ, বিল আটকে চাঁদাবাজি, কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুপস্থিতিসহ নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে হেড অফিস থেকে আমাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সরেজমিনে এসে দেখা গেছে, কর্মক্ষেত্রে বেশিরভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী অনুপস্থিত। আমরা বিভিন্ন ফাইলপত্র রেকর্ডের তথ্য চেয়েছি, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা তা দাখিল করতে ব্যর্থ হয়েছেন।”
নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তার বিরুদ্ধে একটি ফাইল অনুসন্ধান চলছে। নতুন করে যে অভিযোগগুলো আসছে সেগুলোও যাচাই করা হবে।”
দুদক কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে মোট ১৬টি বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে রয়েছে—বাজার ফান্ড, হাঁস-মুরগির খামার, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সমবায় অধিদপ্তর, সমাজসেবা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, নিয়োগ বাণিজ্য ও পদায়ন বাণিজ্যসহ একাধিক খাত। রেকর্ডপত্রে গরমিল ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাঙামাটি শহরে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মান না করেই অর্থ আত্মসাৎ করার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দূদক কি ব্যবস্থা নিয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে দুদকের রাঙামাটি সমন্বিত কাযালয়ের উপ-পরিচালক জাহিদ কালাম বলেন, এই বিষয়ে আমরা অভিযোগ পেয়েছি; এবং সেটি কেন্দ্রীয় কাযালয়ে প্রেরণ করেছি। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পেলে আমরা শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম কোথায় গেলো সে বিষয়ে তদন্তকাজ শুরু করবো।
অভিযানে দুদকের রাঙামাটি কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আহমদ ফরহাদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
দুদক কর্তৃপক্ষ জানায়,
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে প্রকল্পের কাজ না করেই বিল উত্তোলন, কার্যাদেশ প্রদানে অনিয়ম এবং ঠিকাদারদের বিল প্রদানে শতকরা হারে ঘুস দাবিসহ নানাবিধ দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রাংগামাটি হতে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে সাজেকের গাড়ি পার্কিং সংক্রান্ত কাজ, জেলা পরিষদের টোলের নথি, বিভিন্ন উপজেলায় কাজু বাদামসহ গাছের চারা বিতরণ কাজের নথিসহ অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজের টেন্ডার সংক্রান্ত নথি সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে এনফোর্সমেন্ট টিম জেলা পরিষদ সদস্যসহ জেলা পরিষদের আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করে।
অভিযানকালে সংগৃহীত রেকর্ডপত্র বিশ্লেষণপূর্বক টিম কর্তৃক কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
আলমগীর মানিক : রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবগঠিত সদস্যদের সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার, মাদক উদ্ধ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক রাঙামাটির কাউখালীতে আট বছর বয়সী দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় আ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক মাদকাসক্ত ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আইনজীবীদের আরও কঠ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চার মাদক কারবারি, পাঁচ মাদকসেবী ও এক ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited